প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস
অনুবাদ ১৭ আগস্ট ২০২৩

প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস

মিশিও কাকু

২৬৬ ভিউ
১৪৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
পুরো মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করাকে বলা হয় কসমোলজি বা বিশ্বসৃষ্টি তত্ত্ব। এর মধ্যে রয়েছে মহাবিশ্বের জন্ম ও হয়তো তার চূড়ান্ত পরিণতিও। অবাক হওয়ার কিছু নেই, মহাবিশ্বকে ধীরগতির আর বেদনাদায়ক বেশ কিছু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই বিবর্তন যুগে যুগে প্রায়ই ঢাকা পড়েছে ধর্ম ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মতবাদের ছায়ায়।

কসমোলজিতে প্রথম বিপ্লবের দেখা পাওয়া গিয়েছিল ১৬০০ শতকে টেলিস্কোপ বা দুরবিন ব্যবহারের মাধ্যমে। টেলিস্কোপের সহায়তায় প্রথমবার স্বর্গীয় উজ্জ্বল দীপ্তিগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে কাজে লাগাতে সক্ষম হন গ্যালিলিও গ্যালিলি। তাঁর এসব কাজের ভিত্তি ছিল জ্যোতির্বিদ নিকোলাস কোপার্নিকাস এবং জোহানেস কেপলারের গবেষণা। কসমোলজির এই প্রথম পর্যায় সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে আইজ্যাক নিউটনের কাজের মাধ্যমে। তিনিই শেষ পর্যন্ত মহাকাশের বস্তুগুলোর গতি নিয়ন্ত্রণকারী মৌলিক সূত্রগুলো লিপিবদ্ধ করেন। এভাবে একসময় দেখা গেল, জাদুবিদ্যা ও আধ্যাত্মিকতা নয়, মহাকাশের বস্তুগুলোর বিধি আসলে কিছু বলের অধীনে। শুধু তা-ই নয়, এসব বল গণনাযোগ্য ও পুনরুৎপাদনযোগ্য।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!