প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

জোছনা ও জননীর গল্প
মুক্তিযুদ্ধ ২৮ আগস্ট ২০২৩

জোছনা ও জননীর গল্প

হুমায়ূন আহমেদ

৪৫০ ভিউ
৮৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
নীলগঞ্জ হাইস্কুলের আরবি শিক্ষক মাওলানা ইরতাজউদ্দিন কাশেমপুরী কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর বয়স প্রায় ষাট। স্থূলকায় বেঁটেখাটো মানুষ। মুখভর্তি দাড়ি। দাড়ির রঙ সাদাও না কালোও না। সাদাকালোর মাঝামাঝি। মাথা সম্পূর্ণ কামানো। জুম্মাবার সকালে নাপিত এসে তাঁর মাথা কামিয়ে দিয়ে যায়। কামানো মাথায় না-কি পাগড়ি পরতে সুবিধা। শুক্রবারে তিনি পাগড়ি পরেন। চোখে সুরমা দেন। কানের লতিতে সামান্য আন্তর দেন। জানু পর্যন্ত লম্বা পিরান। পরে জুম্মার নামাজে ইমামতি করতে যান। গত পনেরো বছর ধরেই তিনি এই কাজ করছেন। নীলগঞ্জ জুমা মসজিদের আলাদা ইমাম আছে। শুধু জুম্মার নামাজের দায়িত্ব তিনি পালন করেন।

ইরতাজউদ্দিন কাশেমপুরীর হাতে ধবধবে সাদা রঙের একটা রাজহাঁস। তিনি ডান হাতে রাজহাঁসের গলা চেপে ধরে আছেন। রাজহাঁস ছটফট করছে, পাখা ঝাপটাচ্ছে। কাশেমপুরীর মুখ থমথম করছে, কারণ ট্রেন থেকে নামার সময় এই বিশাল পক্ষী ঠোকর দিয়ে তাঁর কনুই থেকে রক্ত বের করে দিয়েছে। তাঁকে ঘিরে ছােটখাটো ভিড়। জনতা কৌতূহল নিয়ে অপেক্ষা করছে। কাশেমপুরী ও তার রাজহঁ ন জনতার মধ্যে একধরনের আনন্দ মিশ্ৰিত আগ্ৰহ জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!