প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

বাড়িটায় কেউ যেয়ো না
ভৌতিক ১৯ আগস্ট ২০২৩

বাড়িটায় কেউ যেয়ো না

অনীশ দেব

১২২ ভিউ
৬৫ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
অজয়কে নিয়ে কখনও গল্প লিখব ভাবিনি৷ কিন্তু গতকাল সন্ধেবেলার একটা ঘটনায় অজয় মনের সামনে চলে এল৷ সময়ের গাড়ি এক ঝটকায় আমাকে উড়িয়ে নিয়ে গেল পঞ্চাশ বছর পেছনে৷ আমি পৌঁছে গেলাম আমার স্কুলে৷ ক্লাস সেভেনের ‘সি’ সেকশানের ক্লাসরুমে৷ কতই বা বয়েস তখন আমার? সত্যি-সত্যি ‘বাও কি তেও—মা বলেছে আও কম’৷



অজয় আমার সহপাঠী ছিল, কিন্তু বন্ধু ছিল না৷ সত্যি বলতে কী, গোটা ক্লাসে অজয়ের কোনও বন্ধু ছিল না৷ ও ছিল একা, কিন্তু দ্রষ্টব্য৷ ও নানান ঢঙে বিচিত্র সব দুষ্টুমি পারফর্ম করত৷ আর আমরা, ক্লাস সেভেনের বাকি আটত্রিশ কি উনচল্লিশ জন, অজয়ের পারফরম্যান্স অবাক হয়ে দেখতাম৷ অজয় ছিল বলতে গেলে ‘হিরো’৷ আমরা ছিলাম নীরব দর্শক৷



অজয়ের কথা লিখতে গিয়ে ওর মুখটা ভেসে উঠছে চোখের সামনে৷



গোলগাল চেহারা, মাথায় কোঁকড়ানো চুল, চোখে কালো ফ্রেমের চশমা৷ চশমার কাচের আড়ালে দুটো প্রাণবন্ত চঞ্চল চোখ৷ ঠোঁটের ওপরে হালকা গোঁফের রেখা৷



শুধু অজয় কেন, একইসঙ্গে ভেসে উঠছে ক্লাসরুমটাও৷ আমরা সবাই যে-যার ডেস্কের সামনে ছোট-ছোট চেয়ারে বসে আছি৷



আমাদের স্কুলটা ছিল মাঝ-কলকাতার এক বিখ্যাত সরকারি স্কুল৷ ট্রামরাস্তার পাশেই তার বিশাল বিল্ডিং৷ বিল্ডিং-এর লাগোয়া এক প্রকাণ্ড পার্ক৷ পার্কে প্রচুর গাছপালা, এবং তার ঠিক মধ্যিখানে এক মনোরম চৌকো দিঘি৷ সেই বিশাল চৌকো দিঘিকে ঘিরে ছিল বেশ কয়েকটা সাঁতারের ক্লাব৷



আমাদের ক্লাসরুমটা ছিল পার্কের দিকে, দোতলায়৷ লাস্ট পিরিয়ডে ক্লাসরুমের জানলা দিয়েই আমরা দেখতে পেতাম বাচ্চাকাচ্চারা হাত-পা ছুড়ে সাঁতার শিখছে৷

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!