প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

বিষাদগাথা
উপন্যাস ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

বিষাদগাথা

অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

১৫২ ভিউ
৬৬ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
গ্রামের পুবদিকে চালাঘরের হাসপাতাল, পশ্চিমে মরা নদী। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে তার ওপর দিয়ে ঝিঙে-চিচিঙ্গা বোঝাই গোরুর গাড়ি চলে, রাস্তা সংক্ষেপ করতে চালের সাইকেল ছোটে। মরা নদীর ওপার থেকে ফুঁসতে ফুঁসতে কালবৈশাখী এসে পুবের গ্রামীণ হাসপাতালের প্রসবকালীন আর্তনাদও উড়িয়ে নিয়ে যায়। মাইলের পর মাইল শূন্য ভূমির ওপর হাওয়ার শব্দ কখনও হা-রে-রে-রে, কখনও হাহাকারের মতো শোনায়।

একশো বছর আগেও এই নদী বইত। এই সেদিনও খাল, নালা, জল-কাদার চেহারা ধরে আনুমানিক ভাবে বেঁচে ছিল নদীটা। এখন দীর্ঘ বাদা অঞ্চলের পাশাপাশি আরও দীর্ঘ শুধুই নদীর কবর, মাঝে মাঝে দুয়েকটা রক্তমাখা ভাঙা পাঁজরের মতো ছেঁড়া ছেঁড়া নালা। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে বাদা শুকিয়ে গেলে খালও শুকিয়ে যায়। গ্রামের বৃদ্ধরা শুধু হাওয়ায় নদীর দীর্ঘশ্বাস শোনে। এ-ভাষাও তাদের। তাদেরই কেউ কেউ এখনও বলাবলি করে- এই নদী বেয়ে ভেলায় লখিন্দরকে নিয়ে বেহুলা স্বর্গরাজ ইন্দ্রের সভায় গিয়েছিল। কেউ বলে লখিন্দরের বাবা চাঁদ সদাগর এ পথে নৌকোযাত্রা করেছিল। কারও কারও মতে, এটা বড় কোনও নদীই নয়, নামহীন একটা শাখানদী মাত্র।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!