জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ
বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের
প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য
করবে। ধন্যবাদ।
স্যার জন অ্যাণ্ডারসন উনিশ তেত্রিশের দোসরা সেপ্টেম্বর রোণ্ডিয়া ব্যারাজ ওপেন করেন। দামোদরের ওপর। অনেক মেহগনি গাছ পুঁতে গেছিলেন সাহেবরা তখনই। রোণ্ডিয়া বাংলোটাও তখনই হয়।
বাংলোর হাতায় নানারকম গাছ আছে। নতুন নতুন অনেক ফুলের গাছও লাগিয়েছেন, নতুন একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, শ্ৰী আর এন দে। কাঠ-কাঞ্চন,কাঞ্চন, টগর, কামিনী, নানা ফুল। গেটের ডান পাশে দুটো মেহগনি দেখলাম। মেহগনির পাতাগুলোতেও যেন সোনার ঝিলিক। শিরীষও আছে। নিম, দেবদারু, কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, চাঁপা, আম, কাঁঠাল, করবী, সোনাঝুরি, গন্ধরাজ, জুই, বেল, বোগেনভিলিয়া, কেয়া, জবা, সজনে।
ব্যারাজের ডান দিকে দামোদরের বুকে একটি হ্রদের মতো সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার মেঘমেদুর বিকেলে বাঁ-দিকের সোনালি বালির বিস্তীর্ণ চরকে ভারি সুন্দর দেখাচ্ছে। চরের পাশে পাশে মাঝে মাঝে কাশ ও শরের চিকন-সবুজ শরীর, পড়ন্ত বিকেলের বিধুর আলোর মতো সোনালি বালির চরের পটভূমিতে, ভারি সুন্দর দেখাচ্ছে। জেলেরা ব্যারাজের বাঁ-দিকে যেদিকে জল পড়ছে, সেখানে বাঁধ-জাল পেতে চিতল, কালোবাউস আর বাটামাছ ধরছে।
দ্বিজপদ আঁকুড়া চৌকিদার।
এই বইটি কি আপনার
ভালো লেগেছে?
আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে
আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।