প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

সন্ধিক্ষণ _ প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা
আত্ম উন্নয়ন ১৯ আগস্ট ২০২৩

সন্ধিক্ষণ _ প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা

এ. পি. জে. আবদুল কালাম

৫৯ ভিউ
২২ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
‘প্রকৃতিকে ভালবাসো এবং তার আশীর্বাণীর মূল্য দাও,

তবেই তুমি ঈশ্বরত্বকে সর্বত্র খুঁজে পাবে।’

সেদিনটা ছিল ২৪ জুলাই, ২০০৭ সাল। আমার রাষ্ট্রপতিপদের কার্যকালের শেষ দিন। দিনটা আগাগোড়া নানা আনুষ্ঠানিক কার্যসূচিতে পূর্ণ ছিল। সেদিন সকালবেলা আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত ছিলাম। পরে, বেলার দিকে তিনটে পঁচিশ থেকে সিএনএন-আইবিএনের তরফ থেকে রাজদীপ সরদেশাই এবং দিলীপ ভেঙ্কটরামনের সঙ্গে ছোট একটা সাক্ষাৎকারের আয়োজন ছিল। এর পরেই ছিল ছত্তিশগড়ের রাজ্যপাল ই এস এল নরসিংহনের সঙ্গে একটা মিটিং। তারপরে আমার উত্তরাখণ্ডের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. রমেশ পোখারিয়াল ‘নিশাঙ্ক’-এর সঙ্গে দেখা করার ছিল। এ ছাড়াও ছিল— দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কুমারী করিশ্মা থাঙ্কাপ্পন, তাঁর বাবা-মা ও আরও পাঁচজনের সঙ্গে আমার একটা মিটিং, পরে বিকেল চারটে নাগাদ বৈদেশিক মন্ত্রকের প্রোটোকল প্রধান সুনীল লাল ও তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি মেয়ে নীতিকাকে নিয়ে দেখা করতে এসেছিলেন। এরকম নানা বিদায়কালীন সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার চলেছিল রাত আটটা অবধি।

সেসময় আমায় ভাবী রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করতে হয়েছিল।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!