জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ
বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের
প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য
করবে। ধন্যবাদ।
যদি আকাশের শোভা দেখিতে চাও, তবে শরৎকালে দেখ; যদি চাঁদের শোভা দেখিতে চাও, তবে শরৎকালে দেখ; যদি সরোবরের শোভা দেখিতে চাও, তবে শরৎকালে দেখ; যদি মাঠের শোভা দেখিতে চাও, তবে শরৎকালে দেখ; যদি সকল শোভা একত্রে দেখিতে চাও, তবে শরৎকালে দেখ। আকাশে চাঁদের হাসি, সরোবরে পদ্মের হাসি, মাঠে ধান্য, গৃহে অন্নপূর্ণা, শরতে সকলই সুন্দর, সকলই মনোহর। এই মনোহর সময়ে পূজা উপলক্ষে কাছারী বন্ধ হইলে, দেওয়ান গোবিন্দরাম নিয়োগী নৌকারোহণে বাটী আসিতেছিলেন। হুগলীর সন্নিহিত রত্নপুর গ্রামে তাঁহার বসতি, তিনি যশোহরে কর্ম্ম করিতেন। সূর্য্য অস্ত গিয়াছে; নীল আকাশে হেথা-সেথা এক-একটি প্রকাণ্ড জলদস্তূপ কাঞ্চন-গিরির ন্যায় দাঁড়াইয়া আছে, চতুর্থীর চন্দ্র দেখা দিয়াছে, কিন্তু এখনও হাসে নাই; এইরূপ সময়ে মাঝীরা পাড়ি ধরিল। গঙ্গা একটানা, নৌকাখানি মৃদুগতিতে যাইতে লাগিল, দেওয়ান গোবিন্দরাম, তদীয় ভগ্নীপতি হরজীবন কুমার, বয়স্য শ্রীনিবাস মুখোপাধ্যায় এবং পাচক ব্রাহ্মণ নিত্যানন্দ রায়, এই চারিজনে নৌকাগৃহে বসিয়া তাস খেলিতেছিলেন। কে জিতিয়াছিলেন বা কে হারিয়াছিলেন, তাহা আমরা অবগত নহি। সন্ধ্যা হওয়ায় তাঁহারা খেলা বন্ধ করিলেন। নিত্যানন্দ ও শ্রীনিবাস বাহিরে আসিয়া, নৌকার ধারে বসিয়া গঙ্গাজলে সায়ংসন্ধ্যা আরম্ভ করিলেন, হরজীবন জপে বসিলেন; এবং দেওয়ানজী একটি পরিপাটী গান ধরিলেন। সে গানটি এই
এই বইটি কি আপনার
ভালো লেগেছে?
আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে
আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।