প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

ঈশ্বর যখন বন্দি
থ্রিলার ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

ঈশ্বর যখন বন্দি

দেবারতি মুখোপাধ্যায়

৭৯ ভিউ
২৫ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
আনুমানিক ৭৫০ সাল, তিব্বতের কোনো এক রুক্ষ তুষারপ্রান্তরে

লোকটা প্রথমে খুব জোরে হাঁটছিল তারপর এক সময় ছুটতে শুরু করল। যতদূর দেখা যায় রুক্ষ পাহাড়ি অঞ্চল, কোথাও একটুকরো সবুজ নেই। মাঝে মাঝে কিছু শুকনো গাছের কঙ্কাল দেখলে বোঝা যায় একসময়ে এই জায়গাটা বসবাসযোগ্য ছিল।

কিন্তু বরফ মৃত্যুদূতের মতো থাবা বসিয়েছে সবুজ শ্যামল এই উপত্যকায়। কয়েক মাসের একটানা প্রবল তুষারঝড়ে গাছপালা, গবাদি পশু, মানুষজন সবই প্রায় মারা পড়েছে একে একে। চাষবাস বহুদিন বন্ধ, কী করে বাঁচবে মানুষ!

লোকটা আর চলতে পারছিল না। পেটে তিনদিন কিছু পড়েনি। কাঁহাতক খালি পেটে হাঁটা যায়! পরনের আলখাল্লার ওপর ইয়াকের মোট চামড়া দিয়ে সেলাই করা জোব্বা, তবু উত্তুরে হিমেল হাওয়ায় শিরদাঁড়াটা কেঁপে যাচ্ছিল। মেরুন চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে মুখ, কান সব ঢেকে নিল ও। কাঁধের ঝোলায় কিছু শুকনো ফল আর বুদ্ধের একটা ছোট্ট মূর্তি ছাড়া কিছুই নেই। শেষ সম্বল ফলগুলোকে জমিয়ে রেখে এগোচ্ছিল, এখন খেয়ে নিলে পরে অনাহারে মরতে হবে অন্যদের মতো। হাতের লাল কাপড়ে মোটা জিনিসটা পরম যত্নে বুকে চেপে আবার হাঁটতে শুরু করল। দুরন্ত ঠান্ডা হাওয়ায় গাল, ঠোঁট সব ফেটে গেছে, মাঝেমধ্যেই রক্ত বেরোচ্ছে। তবু যে করেই হোক, সাংপো পেরিয়ে গঙ্গা নদীর উপত্যকায় ওকে পৌঁছোতেই হবে।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!