প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

একমুখী রুদ্রাক্ষ
এডভেঞ্চার ০১ আগস্ট ২০২৩

একমুখী রুদ্রাক্ষ

সমরেশ মজুমদার

১৩৮ ভিউ
৩৮ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে গিয়ে মাকে তুলে দিতে এসেছিল অর্জুন। অবশ্য মা একা নন, জলপাইগুড়ি শহরের আরও সাতজন প্রৌঢ়া মায়ের সঙ্গে আছেন। ওঁরা দার্জিলিং মেলে কলকাতায় পৌঁছেই দুন এক্সপ্রেস ধরে প্রথমে হরিদ্বার যাবেন। এই মহিলাদের সংগঠন তৈরি হওয়ার পর তাঁরা আর কারও ওপর নির্ভর করবেন না বলে ঠিক করেছেন। বছরে দুবার নিজেরাই বেরিয়ে যাবেন ভারতবর্ষ দেখতে। এবার যাচ্ছেন হরিদ্বার হয়ে কেদারবদ্রীনাথ।

কেদারনাথ-বদ্রীনাথ যাওয়ার ইচ্ছে মায়ের অনেকদিনের। বেশ কয়েকবার অর্জুনকে বলেছেন সেকথা। বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে। কিন্তু প্রতিবারই একটা না একটা ঘটনায় জড়িয়ে যাওয়ায় আর মাকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এখন মায়েদের সংগঠন ঘরোয়া তৈরি হওয়ায় ওঁরা খুশি হয়েছেন। তবু যাওয়ার দিন সকাল থেকেই মায়ের মনখারাপ ছিল। তার ওপর দার্জিলিং মেলে জলপাইগুড়ি শহর থেকে ওঠা যাচ্ছে না। চার নম্বর গুমটিতে একটা অ্যাকসিডেন্ট হওয়ায় শহরে ট্রেন ঢুকছে না। জলপাইগুড়ি থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ট্যাক্সি করে যাওয়ার পর মা নিচু গলায় বলেছিল, তুইঙ্গে গেলে খুব ভাল লাগত।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!