প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

প্রাচীন ভারত
সভ্যতা ও সংস্কৃতি ০৯ জানুয়ারি ২০২৪

প্রাচীন ভারত

সুকুমারী ভট্টাচার্য

১৬৭ ভিউ
৬০ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
পৃথিবীর সভ্যতার বয়স অনেক। সাড়ে ছ’লক্ষ বছর আগেকার আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের মধ্যেও মানুষের তৈরি জিনিস পাওয়া গেছে। খ্রিস্টপূর্ব উনিশ হাজার বছর আগে মানুষ আগুন ব্যবহার করতে শিখেছে; মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ ধাপ। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কী রকম ছিল?

মেহেরগড়ের প্রত্নখননে (মাটি খুঁড়ে ইতিহাসের সন্ধানে) ৭৫০০] খ্রিস্ট পূর্বাব্দে নব্য প্রস্তুর যুগের মাটির জিনিস পাওয়া গেছে, চাষেরও কিছু কিছু প্রমাণ মিলেছে। এবং বহু দূর দেশের সঙ্গে ভারতবর্ষের যে বাণিজ্যসম্পর্ক ছিল তা-ও জানা যায় (সে সময়ে রাশিয়ার তুর্কমেনিস্তান ছাড়া অন্য কোথাও টার্কয়েজ পাথর পাওয়া যেত না, সে পাথর মেহেরগড়ে পাওয়া যাওয়াতে বোঝা যায় যে, তখনকার ভারতবর্ষের বাণিজ্য অন্তত তুর্কমেনিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল)।

অধিকাংশ পণ্ডিতই এখন স্বীকার করেন যে, আর্যরা এখনকার ভারতবর্ষের যে ভৌগোলিক সীমা তার বাইরে থেকেই এ দেশে এসেছিলেন। তবে এর মধ্যে অনেক কথা আছে: আজকের ভারতবর্ষের ভৌগোলিক সীমা বা ১৯৪৭-এ দেশ ‘স্বাধীন’ হওয়ার আগে যে সীমা ছিল, তার বহু পূর্বে ভারতবর্ষের সীমা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অনেক বেশি বিস্তৃত ছিল। শুধু বাণিজ্য সীমায় নয়, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের ভিত্তিতে জাতিগোষ্ঠী বা জনগোষ্ঠী হিসেবে এক না হলেও অনেক বিস্তৃত এক ভূখণ্ডে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ছাড়িয়েও ছিল এর বিস্তৃতি। এ অঞ্চলটা হয়তো কেন্দ্রীয় কোনও শাসনের অন্তর্ভুক্ত ছিল না, কিংবা বলা যায়, শতাব্দীর পর শতাব্দীতে, এমনকী সহস্রাব্দেরও ওপারে, ওই অঞ্চলের শাসনব্যবস্থাগুলোর বারেবারে হাতবদল হয়েছে।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!